পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশন আর থাকছে না

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২৬ বার পড়া হয়েছে

পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশন

বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাগজ হচ্ছে পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন। আপনি এই কাগজটির জন্য আবেদন সাবমিট করলেন এবং সকল অফিশিয়াল প্রক্রিয়া শেষে আইনি প্রক্রিয়ায় যাচাই করা হয়। ব্যক্তির কোন অপরাধমূলক কর্মকান্ড ইত্যাদির কারণে এই প্রসেসটি ব্যর্থ হতে পারে।

অর্থাৎ যাচাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেখা হয় সে ব্যক্তি কোন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কিনা কিংবা সে কোন অপরাধী কিনা। এই কারণে পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে এই প্রসেসটির বিরুদ্ধে দেশ অভিযোগ ও শোনা গিয়েছে। তাই এ ব্যাপারে পরিবর্তন আসছে

মূলত কোন ব্যক্তির পাসপোর্ট ইস্যুর জন্য মূল ভিত্তি বিবেচনা করা হয় ন্যাশনাল ভোটার আইডি কার্ড এবং বার্থ সার্টিফিকেট। আর বাংলাদেশের সকল বৈধ নাগরিক এই দুটি কাগজ অবশ্যই থাকে। তবে যাদের ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি তারা কেবলমাত্র জন্ম সনদ পেয়ে থাকেন। তাই সাম্প্রতিক এ সময়ে আলোচনা হচ্ছে যে এই দুইটি কাগজ সঠিক থাকলে পাসপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে অন্য কোন বাঁধা থাকার কথা না। বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একটি সভায় এ ধরনের মতামত উঠে আসে। জানি এর পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ কর্তৃক কাজকর্ম শুরু করা হয়।

পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশন আর থাকছে না

বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ প্রদর্শিত হচ্ছে যে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় বেশিরভাগ প্রতিনিধি মতামত দিয়েছেন যে পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন উঠিয়ে দেওয়ার বিষয়। বিভিন্ন সূত্রে একটি প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছে যে সারা বাংলাদেশে এই মুহূর্তে প্রায় ১৬ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু অপেক্ষমান অবস্থায় আছে। পুলিশ ভেরিফিকেশন ও নানা কারণে এই প্রতিবেদনটি পেতে অনেক সময় লেগে যায়। কিন্তু অনেক ব্যক্তি আছেন যারা কিনা জরুরী চিকিৎসা কিংবা অন্যান্য কারণে দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে প্রয়োজন হয়।

বাংলাদেশ জন্য প্রশাসন সংস্থার কমিশনের প্রধান সাংবাদিকদের কে জানান একটি পাসপোর্ট পাওয়া দেশের জনগণের নাগরিক অধিকার। এর জন্য পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন কেন করতে হবে। তিনি আরো উল্লেখ করে বলেন যে ইংল্যান্ড সহ বিভিন্ন দেশে পাসপোর্ট এর আবেদন করার পর সেটি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে চলে আসে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বাধ্যবাধকতা থাকায় অনেক সময় সাধারণ নাগরিকরা নানা ধরনের সম্মুখীন হয়ে আসছে। এ বিষয়টি নিয়ে সরকারের বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের আবেদন নিবেদন্ন করা হয়েছে কিন্তু কোন প্রতিকার মিলে নেই।

বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক চাইলেই বিভিন্ন মেয়াদের এবং পৃষ্ঠার পাসপোর্ট নিতে পারেন। এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহকারে আবেদন করতে হয়। তারপর সেই এপ্লিকেশনের ভিত্তিতে ছবি উঠানো ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়া এবং অন্যান্য বেশ কিছু ধাপ পার হতে হয়। অফিসিয়াল সকল কার্যক্রম শেষ হলে আবেদনকারী ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানা সহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশন আর থাকছে না

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাগজ হচ্ছে পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন। আপনি এই কাগজটির জন্য আবেদন সাবমিট করলেন এবং সকল অফিশিয়াল প্রক্রিয়া শেষে আইনি প্রক্রিয়ায় যাচাই করা হয়। ব্যক্তির কোন অপরাধমূলক কর্মকান্ড ইত্যাদির কারণে এই প্রসেসটি ব্যর্থ হতে পারে।

অর্থাৎ যাচাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেখা হয় সে ব্যক্তি কোন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কিনা কিংবা সে কোন অপরাধী কিনা। এই কারণে পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে এই প্রসেসটির বিরুদ্ধে দেশ অভিযোগ ও শোনা গিয়েছে। তাই এ ব্যাপারে পরিবর্তন আসছে

মূলত কোন ব্যক্তির পাসপোর্ট ইস্যুর জন্য মূল ভিত্তি বিবেচনা করা হয় ন্যাশনাল ভোটার আইডি কার্ড এবং বার্থ সার্টিফিকেট। আর বাংলাদেশের সকল বৈধ নাগরিক এই দুটি কাগজ অবশ্যই থাকে। তবে যাদের ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি তারা কেবলমাত্র জন্ম সনদ পেয়ে থাকেন। তাই সাম্প্রতিক এ সময়ে আলোচনা হচ্ছে যে এই দুইটি কাগজ সঠিক থাকলে পাসপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে অন্য কোন বাঁধা থাকার কথা না। বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একটি সভায় এ ধরনের মতামত উঠে আসে। জানি এর পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ কর্তৃক কাজকর্ম শুরু করা হয়।

পাসপোর্টে পুলিশ ভেরিফিকেশন আর থাকছে না

বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ প্রদর্শিত হচ্ছে যে এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় বেশিরভাগ প্রতিনিধি মতামত দিয়েছেন যে পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন উঠিয়ে দেওয়ার বিষয়। বিভিন্ন সূত্রে একটি প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছে যে সারা বাংলাদেশে এই মুহূর্তে প্রায় ১৬ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু অপেক্ষমান অবস্থায় আছে। পুলিশ ভেরিফিকেশন ও নানা কারণে এই প্রতিবেদনটি পেতে অনেক সময় লেগে যায়। কিন্তু অনেক ব্যক্তি আছেন যারা কিনা জরুরী চিকিৎসা কিংবা অন্যান্য কারণে দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে প্রয়োজন হয়।

বাংলাদেশ জন্য প্রশাসন সংস্থার কমিশনের প্রধান সাংবাদিকদের কে জানান একটি পাসপোর্ট পাওয়া দেশের জনগণের নাগরিক অধিকার। এর জন্য পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন কেন করতে হবে। তিনি আরো উল্লেখ করে বলেন যে ইংল্যান্ড সহ বিভিন্ন দেশে পাসপোর্ট এর আবেদন করার পর সেটি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে চলে আসে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বাধ্যবাধকতা থাকায় অনেক সময় সাধারণ নাগরিকরা নানা ধরনের সম্মুখীন হয়ে আসছে। এ বিষয়টি নিয়ে সরকারের বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের আবেদন নিবেদন্ন করা হয়েছে কিন্তু কোন প্রতিকার মিলে নেই।

বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক চাইলেই বিভিন্ন মেয়াদের এবং পৃষ্ঠার পাসপোর্ট নিতে পারেন। এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহকারে আবেদন করতে হয়। তারপর সেই এপ্লিকেশনের ভিত্তিতে ছবি উঠানো ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়া এবং অন্যান্য বেশ কিছু ধাপ পার হতে হয়। অফিসিয়াল সকল কার্যক্রম শেষ হলে আবেদনকারী ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানা সহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয়।