আবারো সিগারেটের দাম বাড়ছে

- আপডেট সময় : ০৭:১৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
বৃদ্ধি করা হয়েছে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার উপর মূল্য সংযোজন কর বা মূসক কর। যার কারণে সিগারেটের দাম বাড়ছে। যারা নিয়মিত ধূমপান করেন তাদের জন্য এটি অনেকটাই দুঃসংবাদের মত। তবে এই ধরনের অভ্যাস যে শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতি ডেকে আনছে তাই নয় বরং স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। যারা নিয়মিত ধূমপান করে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে এটি ছেড়ে দেয়া খুব একটা সহজ বিষয় নয়।
সিগারেটের দাম বাড়ছে
গত ৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের মাননীয় রাষ্ট্রপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত ২টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। উক্ত অধ্যাদেশের পর বাংলাদেশ এনবিআর বা রাজস্ব বোর্ডের বিভাগও একটি নির্দেশনা জারি করেন। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী জানা গিয়েছে শুল্ক ও করের কারণে সিগারেটের দাম বাড়ছে।
যার প্রভাবে নিম্নস্তরের ১০ শলাকা সিগারেটের দাম আগে ছিল ৫০ টাকা সেটি এখন ক্রয় করতে হবে ৬০ টাকা দিয়ে। এক্ষেত্রে শুল্ক বাড়িয়ে ৬০% থেকে ৬৭% করা হয়েছে।
এছাড়াও যে সম্পূরক শুল্ক আগে ছিল পর সেটি ৬০ শতাংশ সেটি বর্তমানে করা হয়েছে ৬৭ শতাংশ।
কিভাবে এই ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে পারেন
সিগারেটের দাম বাড়ছে সেই কারণে পকেট হতে বাড়তি পয়সা খরচ হবে ঠিকই। কিন্তু আপনি যদি এই অভ্যাসটা ত্যাগ করতে পারেন তাহলে অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি আপনার স্বাস্থ্য অনেক বেশি নিরাপদ থাকবে। এক্ষেত্রে কে কে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন চলুন জেনে নেই।
• যেকোনো ধরনের সিগারেট বা তামাক জাতীয় পণ্য থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
• যেহেতু সিগারেটের দাম বাড়ছে তাই আগের বাজেটে এটি কেনার চেষ্টা করুন তাহলে আগরর থেকে কম খাওয়া হবে। অর্থাৎ আগে যদি ৩ টি করে খাওয়ার অভ্যাস থেকে থাকে তাহলে বর্তমান সেটি কমে একটি অথবা দুটিতে নিয়ে আসুন।
• প্রতি মাসে বা সপ্তাহে সিগারেটের পেছনে কত টাকা খরচ হয়েছে সেটির লোক রাখুন। সেই ব্যয়ের হিসাব টি মাঝে মাঝে দেখলে আপনার কিছুটা উন্নতি হতে পারে।
• যখন অতিরিক্ত কাজে ব্যস্ত থাকেন কিনবে মানসিক চাপে থাকেন তখন চুইংগাম কিংবা আদা চিবাতে পারেন। এতে করে ধূমপানের অভ্যাস আস্তে আস্তে চলে যাবে।
অনেক ব্যক্তি আছেন যারা সিগারেটের দাম বাড়লেও নিজেদের খাওয়া কখনোই কমান না। তাদের জন্য সবচাইতে উত্তম উপায় হচ্ছে যে সকল জায়গায় এটি কিনতে পাওয়া যায় কিংবা যে সকল বন্ধুদের আড্ডায় গেলে এটি বেশি খাওয়া হয় সেখানে যাওয়া কমিয়ে দেওয়া। আবার সামনে আসছে পবিত্র মাহে রমজান। এই মাহে রমজানের নিয়মিত রোজা রাখলেও এটি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারবেন। অনেকেই তো রোজা উপলক্ষে পুরোপুরি বাদ দিয়ে দেন এই বাজে অভ্যাস।